তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি পিএলসির পর্ষদ কোম্পানিটির শেয়ার মানি ডিপোজিটের ২৮২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা নন-কিউমুলেটিভ অগ্রাধিকারমূলক (প্রেফারেন্স) শেয়ারে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য অনুসারে, শেয়ার মানি ডিপোজিটের টাকা অগ্রাধিকারমূলক শেয়ারে রূপান্তরে বাংলাদেশ সরকারের অনুকূলে ইস্যু করা হবে। এ জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে।
চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে ১৮৯ কোটি টাকা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে নিট মুনাফা হয়েছিল ৭ কোটি টাকা। প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির আয় হয়েছে ৮ হাজার ২৬৮ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৯ হাজার ১৫৮ কোটি টাকা। আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৯১ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৭ পয়সা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯৬ টাকা ২৪ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ৫২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৬৭ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরে তিতাস গ্যাসের পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ২৪ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে কোম্পানিটি।
২০০৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিতাস গ্যাসের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯৮৯ কোটি ২২ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫ হাজার ৮২৫ কোটি ২১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯৮ কোটি ৯২ লাখ ২১ হাজার ৮৩১। এর মধ্যে সরকারের হাতে রয়েছে ৭৫ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারের মধ্যে ১৪ দশমিক ৮১ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক, দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ বিদেশী ও ১০ দশমিক ১৪ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
গত এক বছরে তিতাস গ্যাসের শেয়ারের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ১৯ টাকা ৫০ ও ৪০ টাকা ৯০ পয়সা।